Monologue- 29
ফুটপাতে বসে চায়ে চুমুক দিচ্ছি। চা'ওয়ালা মামাকে বলে এক প্যাকেট কফি মিক্সড করে নিয়েছি। চিনি ছাড়া কড়া লিকারের কফি মিশ্রিত এ এক বিদঘুটে স্বাদ! স্বাভাবিক সময়ে হলে এ চায়ে চুমুক দিতে গিয়ে আমার জিহ্বা ১২০ ভোল্টের শক খেতো কিন্তু এখনো তেমন কিছুই অনুভব করছি না। লাস্ট ২০ ঘন্টার ১৪ ঘন্টায় ঘুমিয়েছি। এরপর ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে টিউশনে গেলাম। পড়াতে গিয়ে মনে হচ্ছিলো ঘুমে কথা জড়িয়ে আসছে। তাড়াতাড়ি পড়ানো শেষ করে এসে মামার ভাসমান টি-স্টলে বসলাম। এ জায়গাটা আমার পছন্দের একটা জায়গা। সত্যি বলতে ফুটপাতে বসতে প্রথমদিকে অনেক মৌন বাধা কাজ করলেও, এখন বেশ মজায় লাগে! রাস্তার ভিখিরি থেকে শুরু করে জুতা সেলাই করা মামার নজরে পথচারীরা দেখতে কেমন, তা বুঝাতে পারা যায়। ঘুমের আড়ষ্টতা যেন আস্তে আস্তে কাটছে মনে হচ্ছে। হঠাৎ কানে কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম কোথা থেকে যেন। পুরুষ মানুষের কান্না। চারপাশে চোখ ভুলিয়ে বুঝতে পারলাম কিছুটা দূরে মধ্যবয়স্কা এক লোক কান্না করছে। হাতে বড়সড় একটা ফাইল, মেডিকেলের কাগজপত্র আর রিপোর্ট। ফোনে কারো সাথে কথা বলছে আর কান্না করছে। যতটুকু শুনতে পেলাম, উনার পরিবারের কারো কঠিন কিছু একটা হয়েছে। কান্নায় কেমন যেন...