পোস্টগুলি

সাময়িক প্রলাপ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মানুষ তার চিন্তাভাবনার মতো সুন্দর

আমার কেন জানি High Ambitious, High expectation-ওয়ালা মানুষদের ভাল্লাগে! এদের মাঝে অন্যরকম একটা ব্যাপার থাকে। কথা বলতে কিংবা আড্ডা দিতে বসলে এদের অনেককিছু অবজার্ভ করি। এরা অন্য আট-দশজন থেকে আলাদা। চিন্তাভাবনা, কথা বলার ধরণ, জীবন নিয়ে ফিলোসোফি সবকিছু একদমই আলাদা।  সবার একটা কমন ফিলোসোফি, " আরেহ ভাই হাপিত্যেশ আটপৌরে জীবন তো কাটিয়ে আসছি, এখনোও  কাটাচ্ছি আর কতো? দেখবা, সুন্দর করে ভাবলেই সুন্দর হবে সব "।  ঠিকই তো মানুষ তার চিন্তাভাবনার মতো সুন্দর ❤️

একদিন সব হবে,যা চাই সব চাহিদা মিটে যাবে

ছবি
"They can say,they can say it all sounds crazy They can say,they can say we've lost our minds I don't care, I don't care if they call us crazy Runaway to a world that we design"-  'A million dreams'- গানের এই লাইনটা,বয়স যত বাড়ছে,মানুষের সাথে যত স্যোসাইল হওয়ার চেষ্টা করছি,ততোই যেন উপলব্ধি করতে পারছি। মানুষের সাথে নিজের কথা শেয়ার করতে গেলে পুরো কথা শেষ হওয়ার আগেই সে তার মতো করে জাজ করে দু'চারটা পরামর্শ ছুঁড়ে মারে। "We can live in a world that we design"- এই লাইনটা এক বাক্যে আমাদের জীবন কেমন হওয়া উচিত তা বলে দেয়। একটা মানুষ ঠিক ওইদিনই নিজেকে সুখী অনুভব করবে যে দিন,সে নিজের জন্য নিজের মতো করে তার চারপাশটা সাজিঁয়ে নিতে পারবে। আমরা অধিকাংশ মানুষই বাস করছি অন্যের দেখানো জগতে কিংবা অন্যের বানিয়ে দেওয়া একটা স্বপ্নে। সেই জগতে নিজের স্বাধীনতা নেই,সেই পৃথিবীর আকাশে নিজের স্বপ্নকে ডানা মেলে উড়তে দেওয়া যায় না, ইচ্ছে-আকাঙ্ক্ষা আর যোগ্যতারা মুখ থুবড়ে পড়ে যায় মানুষের কথার আঘাতে। এই ছোট্ট জীবনে "master of none, deal with all" এই বাক্যটাকে হেয় করা মান...

মত প্রকাশের স্বাধীনতা

আপনি আমার কাছে আপনার চিন্তাধারার মতো সুন্দর,যেমনটা আমাদের দেখান। আপনার মনের ভেতরে কি চলতেছে তা নিয়ে আমরা বিন্দুমাত্র মাথা ঘামায় না !  মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার সামনে যেমন সুন্দর ভাবে তুলে ধরে আপনাকে,তেমনিভাবে কুৎসিতও বানাতে পারে

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রথম শ্রেনির নাগরিক

যে ক্যাম্পাসে একজন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে কিংবা বিপদে পড়লে সিনিয়র জুনিয়র সবাই ঝাঁপিয়ে পড়তো, ঠিক একই ক্যাম্পাসে এখন দুদিন ধরে একে অপরকে রক্তারক্তি করছে! কাঁধে কাধ মিলিয়ে চলা,ম্যানার শিখানো,একাডেমিকে সাহায্য করা মানুষগুলোকে নিউজ কিংবা লাইভের ফুটেজে রক্তাক্ত মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতে দেখা,লাঠিসোটা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা, বাইরের মানুষদের ক্যাপশনে তাদের পরিবার সমাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা, এর থেকে তিক্ত আর কিছু হতে পারে বলে আমার মনে হয় না! অথচ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নাকি আমাদের দেশের প্রথম শ্রেনির নাগরিক 🙂

পূর্ণিমাবিলাস

ছবি
জানি না,তোমাদের কখনো পূর্ণিমার রাত ভাল লাগে কি না। কিন্তু,আমার সবচেয়ে পছন্দের রাত যদি থাকে তাহলে আমি বলবো পূর্ণিমার রাত।                                দিনের বেলা দেখা আকাশটা,কিরকম অচেনা হয়ে ওঠে,চারপাশে যেন মায়ার জাল ছড়িয়ে দেয় আলোর রশ্মি,কোন কিছু স্পষ্ট দেখতে পাবে না আবার অস্পষ্টও দেখতে পাবে না,কাকে যেন তুমি ভাবতে চেয়েও মনের গভীর থেকে ভাবতে পারবে না!  ০৩/০৯/২০১৭

অভিব্যক্তি

আমি কোনো দার্শনিকই নই যে, চাঁদের সাথে ভাব করব। আমি হিমু নই যে এখন খালি  পায়ে হেটে ফিরব। আমি কোনো জ্যোতিবিদ নই যে, তাকে নিয়ে গবেষণা করব। আমি জানি,আমি এক স্নিগ্ধপূণির্মাবিলাসী তাই আমি শুধু কিছু মুহুর্ত তাকে অনুভব করব। মুগ্ধদৃষ্টি ছাড়া তোমায় দেয়ার মত আমার আর কিছু নেই

কল্পনাবিলাসী

ছোট থেকে আমরা যখন বড় হতে থাকি তখন সবার একটা কমন ডায়ালগ শুনতে শুনতে আমাদের বড় হতে হয় । আর সেই ডায়ালগটা হলো "বড় হচ্ছ ! বাস্তববাদী হতে শিখ "। তাদের বলতে বড় ইচ্ছে করে ছোটবেলা রূপকথার গল্প শুনিয়ে কে ঘুম পাড়াতো ,চাদঁ এর দিকে আঙ্গুল তাক করে কল্পনায় মামা নামক সম্পর্কে কে জড়িয়ে দিত ,  আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে মানুষেকে সেবা করার স্বপ্ন দেখিয়ে কে পড়ালেখা করাতো , চুমু খেয়ে দিয়ে কে বলতো তুমি পুতুলের মতো, তাল পাতার সেপাই এর মতো, তুলোর মতো টুকটুকে , কে কমিক এর বইগুলো দিয়ে বলতো এই কার্টুনটা তোর মতো ,কে জুজুর গল্প শুনিয়ে ভয় দেখাতো?  যাইহোক আশেপাশের সবাইকে শুধু একটা কথায় বলতে চাই, আপনারা আমাদের যেইভাবে স্বপ্ন দেখিয়ে কল্পনাবিলাসী বানিয়েছেন, সেইভাবে বাস্তববাদী বানিয়ে দিন। এইভাবে হঠাৎ করে বাস্তবতার সাগরে টুপ করে ডুব দিতে বললে কি হবে? আমরা যে সেই সাগরের সৈকতে দাড়িয়ে শুধু এতদিন শরীর উষ্ণ করেই এসেছি,হঠাৎ সিক্ত করতে বললে আমরা তো ভড়কে যাই!

অন্ধকারে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ব্যক্তিত্বকে খোঁজার চেষ্টা করি

এই বয়সটা এতোটাই দোটানায় পড়ার বয়স যে সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত শুধু কনফিউশান আর কনফিউশান!  সকাল ৯টায় বের হতে হবে।এলার্মের শব্দে ঘুম ভাঙ্গে ৮টায়।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে কনফিউজড হয়ে যায় যে,আরো দশ মিনিট ঘুমিয়ে নিবো নাকি ওঠে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে ১০ মিনিট রেস্ট নিবো!  বাস স্টপেজে দাঁড়িয়ে ভার্সিটির বাসের দিকে তাকিয়ে কনফিউশানের মধ্যে পড়ে যায় যে,এতো ভীড়ের মধ্যে এই বাসেই উঠে যাব নাকি আরো সময় নিয়ে পরের বাসটার জন্য অপেক্ষা করব!  বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বসলে মন ও মস্তিষ্ক দুটোই একসাথে কনফিউশানে পড়ে যাই!এক বন্ধু সফটওয়্যার মার্কেট এর ভবিষ্যতবাণী করছে, আরেক বন্ধু খেলার বুলেটিন আলোচনা করছে তো আরেকজন তার অসংজ্ঞায়িত প্রেমের সংজ্ঞা শোনাচ্ছে। এই বহুপাক্ষিক আলোচনা সভায়, আমি কি বলে শান্তিচুক্তি করব তা নিয়ে কনফিউশানে পড়ে রই!  এই বয়সটায় এসে এতো ভিন্ন ভিন্ন মানুষদের সাথে মিশতে হয় এবং তাদের মন রক্ষা করে চলতে হয় যে,কার সাথে কেমন আচরণ করতে হবে তা নিয়ে কনফিউশানে পড়ে যায় মন!   সারা বছর পড়াশোনা না করে পরীক্ষার দুইদিন আগে যখন পড়তে বসি তখন মন ও মস্তিষ্ক দুটোই একসাথে কনফি...

ব্যক্তিত বেচা

আমরা ব্যক্তিত্ব বেচে ইমোশন কিনি, অথচ হওয়া উচিত ছিল তার উল্টো!

মুগ্ধতা

 পাকা ধান ক্ষেতের উপর পূর্ণিমার আলো, আমার দেখা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম দৃশ্য❤️

কমপ্লেক্সিসিটি

আউটলেট থেকে বের হওয়া সেলম্যান আপুদের চোখেমুখের ক্লান্তির ছাপে কেমন যেন একটা মায়া কাজ করে,যেই মায়া সবটুকু সৌন্দর্য্যের ❤️ ক্লাস নিতে নিতে হাঁপিয়ে পড়া ম্যামরা দীর্ঘশ্বাসে লুঁকিয়ে ফেলে বিরক্তি, যেখানের সবটুকুই আমাদের প্রতি স্নেহের ছাপ ফুঁটে উঠে 🖤 টিউশন শেষ করে ভার্সিটির বাসে করে ক্যাম্পাসে ফিরা আপুগুলোর কানে ইয়ারফোনে লিরিক্স এর সাথে একটা ঘোর লাগা ক্লান্তির ছাপ ফুটে উঠে, যার সবটুকু জানালার পাশে বসে নিঃশব্দে বাতাসের সাথে উড়িয়ে দেয় ! উনাদের ভীঁড়ে মেকআপ আর ফিল্টার মেরে ডে দেওয়া আপুগুলোকে মেকি মনে হয়! হাই আর পেন্সিল হিলের কমপ্লেক্সিসিটির হিসেব মিলাতে যেখানে তারা ব্যস্ত তখন অন্যদিকে তাদেরই আরেক শ্রেণি জীবনের স্ট্রাগলে ব্যস্ত। স্ট্র্যাগল সবাই করছে শুধু উদ্দেশ্য কাউকে মহান করছে, কাউকে মেকি!

My Thoughts

সে জানে না,টেনশনগুলোর মাঝেই প্রকৃত ভালবাসাটা লুকানো।সে ভালবাসাই শুধু একটাই চাহিদা আর তা হলো যেখানেই থাকো ভালো থেকো, সাবধানে থেকো, সাবধানে বাসায় ফিরো।

ভাবনা

আকাশ থেকে যখন বৃষ্টি পড়ে,তখন কতই না পরিষ্কার লাগে। কিন্তু যখন তা মাটিতে পড়ে কাঁদায় পরিনত হয়, তখন ঘৃণা হয়-ঠিক তেমনি আমাদের এই জীবনটা । যখন আমরা শিশু হয়ে জন্মায় তখন কতই না আগলে আদর করে বরণ করে সমাজ । আর যখন সমাজের অবাধ্য সন্তানে পরিনত হয় ,তখন পরিনত হয় সমাজের ঘৃণীত কাঁদার মত।

পূর্ণিমা বিলাস

জ্যোৎস্নার আলোয় অদ্ভুত রকমের এক মায়া আর রহস্য কাজ করে!  ▪️ আপনি একাকী বসে একাকীত্বের হিসেব-নিকেশ কষতে পারবেন নির্বিঘ্নে কিংবা কলমের গতিতে কবিতার ঝড়! ▪️আপনি চাইলেই জ্যোৎস্নার অস্পষ্ট ঘোর লাগা আলোয় প্রিয়তমার ছেড়ে যাওয়া মায়া খুঁজে পাবেন।  ▪️কিংবা আপনি চাইলেই সিগারেটের পেছনে দুটো টান দিয়ে বলতে পারেন জীবন বিষাদ! জ্যোৎস্নার আলো আপনাকে আরো বিষাদ করে তুলবে!!!  ▪️ আপনি চাইলেই জীবন, ক্যারিয়ার,হতাশা ঝেড়ে ফেলে জ্যোৎস্নার আলো গায়ে মাখতে পারেন, সিউরিটি দিতে পারি কাব্যিকতা আপনার মনেও জন্ম নিবে।  ▪️আপনি চাইলেই  সামাজিক সব শেকড় উপড়ে কুয়াশাচ্ছন্ন ঘাসে পা রেখে হারিয়ে যেতে পারেন নিজের স্বাধীন চিন্তা জগতে!   ▪️আপনি চাইলেই দিনশেষে পরিবারের পরে যদি প্রেম আর মুগ্ধতা খুঁজে পেতে চান তাহলে তাও খুঁজে পাবেন জ্যোৎস্নার আলোয়।