পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কোয়ারেন্টিনে হিমু(পার্ট - ০১)

দু'পা জুলিয়ে ছাঁদের কার্নিশে বসে আছে হিমু। কি সুন্দর পূর্নিমার চাঁদ উঠেছে। লকডাউনের কারণে শহরটা একদম ফাঁকা হয়েছে, তাতে যেন প্রকৃতির পুষছে না তাই পূর্ণিমার আলোটুকু ফাঁকা রাস্তাঘাটের মায়াজাল আরও বাড়িয়ে তুলছে। আচ্ছা রূপাকে কি এখন ফোন দিয়ে বলবে, "চলো আজ এই শহরটায় পূর্ণিমা দেখতে বের হই!"।মেয়েটা ওর এই একটা কলের আশায় বসে থাকে। হিমু জানে একথা শোনার সাথে সাথে রূপা তার পছন্দের নীল শাড়িটা পড়ে, চোখে হালকা কাজল, কপালে কালো টিপ দিয়ে ওর জন্য সেজেগুজে বসে থাকবে এমনকি রূপা এটাও জানে হিমু কখনো আসবে না তারপরও ঠিকই সেজেগুজে অপেক্ষা করে। হিমু এমনটা প্রতিবারই করে, কারণ সে সাহস পাই না। মেয়েটা এমনিতেই মায়াবী, মনে হয় দুচোখে দুটো সমুদ্র বহমান,পানি যেন টলমল করছে, একটু পলক ফেললেই জল গড়িয়ে পড়বে। এমন মেয়ের প্রেমে চোখ বন্ধ করে বলা যায় যেকোনো ছেলে পড়তে বাধ্য। কিন্তু হিমুরা সবকিছুর উর্ধ্বে, মুক্ত জীবনটাকে প্রেম ভালোবাসা নামক মায়াজালে বন্দী করতে চাই না।  জগতের সবথেকে নির্মম বাস্তবতা হলো শিল্পীর নিজ হাতে তার শিল্প ধ্বংস করে ফেলা,যেমনটা ভারতের কিছু প্রদেশে দূর্গো পূজার সময় যে শিল্পী মূর্তি বানান তিনি নিজ হা...