পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

একদিন সব হবে,যা চাই সব চাহিদা মিটে যাবে

ছবি
"They can say,they can say it all sounds crazy They can say,they can say we've lost our minds I don't care, I don't care if they call us crazy Runaway to a world that we design"-  'A million dreams'- গানের এই লাইনটা,বয়স যত বাড়ছে,মানুষের সাথে যত স্যোসাইল হওয়ার চেষ্টা করছি,ততোই যেন উপলব্ধি করতে পারছি। মানুষের সাথে নিজের কথা শেয়ার করতে গেলে পুরো কথা শেষ হওয়ার আগেই সে তার মতো করে জাজ করে দু'চারটা পরামর্শ ছুঁড়ে মারে। "We can live in a world that we design"- এই লাইনটা এক বাক্যে আমাদের জীবন কেমন হওয়া উচিত তা বলে দেয়। একটা মানুষ ঠিক ওইদিনই নিজেকে সুখী অনুভব করবে যে দিন,সে নিজের জন্য নিজের মতো করে তার চারপাশটা সাজিঁয়ে নিতে পারবে। আমরা অধিকাংশ মানুষই বাস করছি অন্যের দেখানো জগতে কিংবা অন্যের বানিয়ে দেওয়া একটা স্বপ্নে। সেই জগতে নিজের স্বাধীনতা নেই,সেই পৃথিবীর আকাশে নিজের স্বপ্নকে ডানা মেলে উড়তে দেওয়া যায় না, ইচ্ছে-আকাঙ্ক্ষা আর যোগ্যতারা মুখ থুবড়ে পড়ে যায় মানুষের কথার আঘাতে। এই ছোট্ট জীবনে "master of none, deal with all" এই বাক্যটাকে হেয় করা মান...

মত প্রকাশের স্বাধীনতা

আপনি আমার কাছে আপনার চিন্তাধারার মতো সুন্দর,যেমনটা আমাদের দেখান। আপনার মনের ভেতরে কি চলতেছে তা নিয়ে আমরা বিন্দুমাত্র মাথা ঘামায় না !  মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার সামনে যেমন সুন্দর ভাবে তুলে ধরে আপনাকে,তেমনিভাবে কুৎসিতও বানাতে পারে

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রথম শ্রেনির নাগরিক

যে ক্যাম্পাসে একজন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে কিংবা বিপদে পড়লে সিনিয়র জুনিয়র সবাই ঝাঁপিয়ে পড়তো, ঠিক একই ক্যাম্পাসে এখন দুদিন ধরে একে অপরকে রক্তারক্তি করছে! কাঁধে কাধ মিলিয়ে চলা,ম্যানার শিখানো,একাডেমিকে সাহায্য করা মানুষগুলোকে নিউজ কিংবা লাইভের ফুটেজে রক্তাক্ত মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতে দেখা,লাঠিসোটা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা, বাইরের মানুষদের ক্যাপশনে তাদের পরিবার সমাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা, এর থেকে তিক্ত আর কিছু হতে পারে বলে আমার মনে হয় না! অথচ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নাকি আমাদের দেশের প্রথম শ্রেনির নাগরিক 🙂

Monologue-07

ছবি
ট্রেনে জানালার পাশের সিটটায় বসে আছি, ট্রেন যে দিকে ছুটছে তার বিপরীত দিকে মুখ করে। ট্রেন যখন স্টেশন ছেড়ে ধীরে ধীরে ছুটতে শুরু করলো, মনে হচ্ছিলো যেন, সবকিছুকে প্রচন্ড বেগে পেছনে ফেলে ছুটে যাচ্ছি। অনেকদিন পর  নিজেকে কেমন যেন হালকা অনুভব করছি। টিউশন,ক্লাস, এসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন, মানসিক স্ট্রেস, হিসেব নিকেশ সবকিছু থেকে যেন সাময়িক মুক্তি!  ট্রেন তার সর্বোচ্চ গতি দিয়ে পরবর্তী স্টেশনের সাথে দূরত্ব গুছাচ্ছে। আর এইদিকে আমার মাথায় শ'খানে ভাবনার উদয় হচ্ছে।  আচ্ছা আমরা মানুষ কি কখনো বেকার থাকতে পারি? আমার তো মনে হয় না ! পার্থক্য এই যে কিছু কর্মের জন্য আমরা পার্থিব প্রশংসা কিংবা অর্থ পেয়ে থাকি আর কিছু কর্মের জন্য পায় আত্মিক কিংবা মানসিক শান্তি কিংবা অশান্তি। আমরা প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু করছি। আচ্ছা তার মানে কি এই যে  যদি কোনো কর্মের জন্য আমরা অর্থ না লাভ করি তাহলে আমরা বেকার? কিন্তু বেকার মানে তো যতটুকু জানি যার কোনো কর্ম নেই তাকে বুঝায় ! ব্যাপারটা কেমন যেন সাংঘর্ষিক হয়ে গেল না? এই যেমন ধরেন আমি এখন চলন্ত ট্রেনে বসে ভাবছি, এলোমেলো চিন্তাগুলো সাজাচ্ছি নিজের মতো করে, বাতাসে হাত বু...

Cafe Date

ছবি
ক্যাফেতে বসে ধোঁয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিচ্ছি আর বাইরে বৃষ্টি দেখছি। ক্যাফের স্বচ্ছ কাঁচের দরজা দিয়ে বাইরের যান চলাচল দেখা যাচ্ছে। যখন বিদ্যুৎ চমঁকিয়ে উঠছে , তখন কাঁচের উপর জমা পানির বিন্দুগুলো হীরের টুকরোর মতো ঝলঝল করে উঠছে। আমার মুখোমুখি টেবিলের ওপাশে একজন আশ্চর্য রকমের রূপবতী মেয়ে বসে আছে। আশেপাশের মানুষ বারবার আমাদের দিকে তাকাচ্ছে। তাই অস্বস্তি দূর করার জন্য আমি বাইরে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি। আজ আমাদের প্রথম দেখা। ওর সাথে পরিচয় ফেসবুকেই। তখন ভোর রাত প্রায় চারটা। ল্যাপটপ শাটডাউন করে টেবিল গুছিয়ে শোবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম,এমন সময় ম্যাসেঞ্জারের টুং শব্দ। ভোর রাতে ম্যাসেঞ্জারের নোটিফিকেশন এর শব্দে ভ্রু কুঁচকে মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখি ম্যাসেজ রিকুয়েস্ট এসেছে। ম্যসেজ ওপেন করতেই বিশাল বড় এক ম্যাসেজ, " মাঝরাতে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত। তবে ম্যাসেজ না দিয়েও পারলাম না ! আপনার সব লিখাই আমি পড়ি। শুধু পড়ি বললে ভুল হবে খুব মনোযোগ দিয়ে বিশ্লেষণ করে করে পড়ি। আপনি কি জানেন আপনার লিখাগুলো যে সুসাইডাল? আপনার কিছু লিখা আছে যা একটা সুস্থ মানুষকে ডিপ্রেশনের সেকেন্ড স্টেজে নিয়ে যেতে যথেষ্ট! এতো গুছানো...

সৃষ্টির সেরা জীব

ছবি
আমরা সৃষ্টির সেরা জীব ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে সমাজের রুলস ব্রেক করে বসি।  আমরা সৃষ্টির সেরা জীব সবার সামনে হাসতে হাসতে আরেক জনকে কথায় ছোট করি কিংবা লজ্জায় ফেলে দেয়। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ চিনতে ভুল করে, কুকুরকে মানুষের চেয়েও বেটার ধরে নিই। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব মা-বাবা কাছে থাকতে তাদের মূল্য বুঝি না, দূরে চলে গেলে তাদের শূন্যতা টের পাই। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব বাস ড্রাইভার মামা আমাদের সম্বোধন করে আর আমরা মামাকে তুমি বলে সম্বোধন করি! আমরা সৃষ্টির সেরা জীব নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে সবাইকে ছোট দেখিয়ে ফেলি। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব সামাজিক হতে গিয়ে একে একে মানুষ হারাতে শুরু করি। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব ২৪টা বছরের ছাত্র জীবনে সৎ আর দায়িত্ববান হওয়া শিখতে শিখতে গিয়ে তার উল্টোটাই শিখি!  আমরা সৃষ্টির সেরা জীব ৫টাকা বেশি নেওয়ার রিকশাচালক মামার গোষ্ঠী উদ্বার করে ১৫ টাকা দামের সিগারেট কিনে ধোঁয়া ছেড়ে শূন্যে ভাসিয়ে দেয়। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব বাসায় কলেজ পড়ুয়া বোনকে পোঁছে দিয়ে গলিরমুখে ইভটিজিং করি। !!!

পূর্ণিমাবিলাস

ছবি
জানি না,তোমাদের কখনো পূর্ণিমার রাত ভাল লাগে কি না। কিন্তু,আমার সবচেয়ে পছন্দের রাত যদি থাকে তাহলে আমি বলবো পূর্ণিমার রাত।                                দিনের বেলা দেখা আকাশটা,কিরকম অচেনা হয়ে ওঠে,চারপাশে যেন মায়ার জাল ছড়িয়ে দেয় আলোর রশ্মি,কোন কিছু স্পষ্ট দেখতে পাবে না আবার অস্পষ্টও দেখতে পাবে না,কাকে যেন তুমি ভাবতে চেয়েও মনের গভীর থেকে ভাবতে পারবে না!  ০৩/০৯/২০১৭