পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মায়া( হিমু সিরিজ -০৪)

আজকাল অদ্ভুত একটা শখ পেয়ে বসেছে মনে! রূপার দেওয়া ডাইরিটা পাওয়ার পর থেকে ডাইরিটা যেন নিজ থেকে আমাকে ডাকছে। আর্টিফিশিয়াল লেদারের ডাইরিটা যে-কেউ দেখলেই রূপার পছন্দের প্রশংসা না করে পারবে না একথা আমি হলফ করে বলতে পারি। কিন্তু আমি তো হিমু, আর হিমুরা কখনো আবেগ প্রকাশ করে না তাই উপহারটা নিতান্তই নেওয়ার জন্য নিয়েছি এমন অভিনয় করে ডাইরিটা গ্রহণ করেছিলাম। এখন দেখছি ডাইরি লিখার আগ্রহটা ক্রমশই গাঢ় হচ্ছে। রপা অবশ্য ডাইরিটা দিয়ে বলেছিল, " তুৃমি তো আমার কথা কখনও ভাবো না, আমার কথা মনেও করো না, আমি তোমার আর পূর্ণিমার মাঝে ফিলোসোফিটা বুঝতে চাই। তাই তুমি এখন থেকে ডাইরি লিখবে আমি তোমার অনূভুতি আর চিন্তাভাবনার জগৎ জানতে চাই। " রূপা যখন তার আহ্লাদ নিয়ে রাগী রাগী ভাব নেওয়ার চেষ্টা করে তখন মনে হয় আমার সামনে এ যেন আমার দেখা সবথেকে সুন্দরী মেয়েটি দাঁড়িয়ে আছে। একদিন হয়তো বলেই বসবো," রূপা এভাবে আরো কিছুক্ষণ আমার সামনে বসে থেকো, তোমাকে এই গাম্ভীর্য্যেই অনেক মানায়! " ওর দেওয়া ডাইরিটা আর টেবিলের উপর ক্যাপহীন কলমটা তুলে নিলাম। এমনি সময় কারেন্টটা চলে গেল! খোলা জানালা দিয়ে পূর্ণিমার উজ্জ্বল আলো যেন ...

ভালোবাসা অমর মানুষগুলো নয়

বসন্তের প্রথম বৃষ্টি আর তোমার সেই প্রথম ছোঁয়ায়            আমি আজও পার্থক্য খুঁজে বেড়ায়, মন খারাপ করা ঘরবন্দী সন্ধ্যা আর তোমার ছেড়ে যাওয়ায়           আমি আজও পার্থক্য খুঁজে বেড়ায়।  সম্পর্কের শংকায় যখন অস্থির হয়ে যেতাম তখন তোমার  সেই আশ্বস " এতো ভেবো না, আমাদের ভালোবাসা অমর",            এখন একাধিক জন্মদিন চলে যাচ্ছে             অথচ এখন কেউ কারো নেই না খবর !             তোমার কাজল কালো চোখের মায়ায়, সৌন্দর্য্য আর কাব্যিকতার মাঝে আজও পার্থক্য খুঁজে বেড়ায়       সেই অপরিচিত দুটো মুখ হতে চেনা মুখ হওয়ার গল্প                      আমি আজও সাজায়,                সেই গল্পে চরিত্রগুলো বদলায়                   কিন্তু গল্পটা আমাদেরটায়।     ৭৫লাইনের কবিতার লাইনগুলো আজ...