পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

একটা সুন্দরী মেয়ে বসে বসে দাবা খেলছে..................

"একটা সুন্দরী মেয়ে বসে বসে দাবা খেলছে ", কখনো যদি এমনটা স্বচক্ষে দেখতে পাই, সেটা হবে আমার দেখা বিষ্ময়কর ঘটনাগুলো মধ্যে একটি। যদিও এমন বিষ্ময়কর ঘটনা জীবনে দেখার সৌভাগ্য হবে কি-না সন্দেহ!  মাসুদ রানা, সমরেশ মজুমদার, হুমায়ুন আহমেদ, উনাদের বইপড়ার সুবাদে আমি Beauty-with-brain এই কনসেপ্টটার সাথে থিওরিটিক্যালি বেশ পরিচিত কিন্তু কখনো সামনাসামনি দেখার মতো সৌভাগ্য হয়নি! মেয়েরা এই 'সৌন্দর্য্য' জিনিসটাকে খুব ভালোভাবে sell করতে পারে। Facebook, Instagram, Snap-chat এর যুগে তো আরো বেশি৷ আর পুরুষ মানুষ মেয়েদের এই বিক্রয়সুলভ আচরণকে খুব ভালোভাবেই লুফে নেয়। এর বাস্তব উদাহরণ মাসুদ রানার প্রায় সবগুলো সিরিজে নারী চরিত্রের রগরগে আবেদনময়ী উপস্থাপন, সমরেশের গল্পের রোমান্টিসিজম আর হুমায়ুন আহমেদের গল্পে মেয়েদের চরিত্রগুলোর অতিরঞ্জিত করে বর্ণনা!   সমস্যা থিওরিতে না, সমস্যা বাঁধে যখন তা বাস্তবে খুঁজতে শুরু করি আমরা৷ স্যোসাইল মিডিয়ায় ফিল্টারের পর ফিল্টার মারা ছবিগুলোর সাথে সামনে আসা সেই একই মেয়েটার চেহারার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না! স্যোসাইল মিডিয়াটা যেন সুন্দরীদের একটা প্রদর্শনীক্ষেত্র, একটা জা...

কোনো রকমে বাঁচা আর বাঁচার মতো বাঁচার মাঝে যেই সাড়ে তিন হাতের ব্যবধান তার পুরোটা জুড়েই রুচিশীলতা

এ জীবনে কারো কোনো রকমে একটা বাড়ি হলেই সে খুশি। কারো আবার দক্ষিণমুখো একটা বাসা-ই দরকার, সেটা নিজের হোক কিংবা ভাড়াটে। কেউ ভাড়াটে বাড়িকে এমনভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে যত্নে রাখে মনেই হয় না উনারা সাময়িক বাসিন্দা। কেউ একটুখানি মাথা গুজার ঠাঁই খুঁজে, কেউবা যতোদিন বাঁচে বাঁচার মতো বাঁচতে চায়। কেউ ফুল ছিঁড়ে কানে গুঁজে নিজের সৌন্দর্য্য বাড়ানোর জন্য, কেউ ফুল চাষ করে জীবিকার তাগিদে। যারা গোলাপ চাষ করে, তাদের অনেকের কাছে গোলাপ ফুল সাধারণ একটা ফুল মাত্র। আবার যে ফুল দেখতে গোলাপ বাগানে ছুটে, তার কাছে গোলাপ সৌন্দর্যের প্রতীক।  লাইফের একটা স্টেজে এসে তারও বয়স ত্রিশ ছুঁই, আপনারও বয়স ত্রিশ ছুঁই। পেছনে ফিরে তাকালে আপনার না থাকে সুন্দর কোনো মুহূর্ত, না থাকে ভালো কিছু স্মৃতি। এই ত্রিরিশে দাঁড়িয়ে বুঝতে পারেন, যেই সময়টার জন্য পেছনে এতোকিছু উৎসর্গ করে এসেছেন, এই সময়ে এসে সবকিছুর যোগফল শূন্য!  আপনার আর জীবনের প্রতি অহংবোধ থাকলো না, থাকলো না কোনো আকাঙ্ক্ষাও। অপরদিকে, আপনার বয়সী আরেকজন তখন সাফল্যের সিঁড়ি যেন ক্রমান্বয়ে ডিঙিয়ে যাচ্ছে! কোনো রকমে বাঁচা আর বাঁচার মতো বাঁচার মাঝে যেই সাড়ে তিন হাতের ব্যবধান তার পুরো...

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪- কনসার্ট প্রসঙ্গে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবথেকে ভালো দিকগুলোর একটা হলো, ৫২ একরের এই ছোট ক্যাম্পাস খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সাজানো-গোছানো। আর আমার দেখা সবথেকে ভালো দিক কি জানেন? বিগত চার বছরের ক্যাম্পাস লাইফে আজ পর্যন্ত কাউকে দেখলাম না ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রকাশ্যে ধুমপান কিংবা অশালীন চলাফেরা করতে। বাইরে থেকে যতবার ফ্যামিলি-ফ্রেন্ডস এসেছে, এই একটা কারণে প্রশংসা করতে শুনেছি-ই তাদের। এবার আসি গত কালকের কনসার্টের ব্যাপারে। আমরা যারা কনসার্টে যাই, আমাদের অধিকাংশই বন্ধুরা মিলে একসাথে উদযাপন করতে কিংবা কিছুটা সময় ভালো মূহুর্ত সঞ্চার করতে যাই। কনসার্টে যাওয়া মানে গাঁজার আসর বসানো নয়, বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে লিরিক্স উপভোগ করা নয়। ম্যাচিউরড ছেলে-মেয়ে কখনো এসব করে না, এসবের সমর্থনও করে না। সব ব্যান্ডদলের ফ্যানবেজ ক্রেজি গাঁজাখোরও না!  কালকের এতো বড় এই কনসার্টের আয়োজনের জন্য Platform(কুবি মিউজিক ব্যান্ড) অবশ্যই প্রশংসা প্রাপ্য। এবং আমরা এর জন্য প্রশংসা করেও যাচ্ছি একদম ইভেন্টের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত । কিন্তু থাকে না, কিছু ভুলক্রুটি। সব বড় বড় ইভেন্টেই কিছুটা মিস-ম্যানেজমেন্ট হয়ে থাকেই। উনাদেরও হয়েছে। একে ত...