কালবেলার নিউজে দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী আর স্টাফদের ব্যক্তিগত তথ্য (প্রায় ৭০ জিবি ডাটা) হ্যাকাররা হাতিয়ে নিয়েছে। এ নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আইটি সেলের কর্মকতার মাঝে তেমন কোনো ভ্রুক্ষেপই দেখা গেল না, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কথা তো বাদই দিলাম! সেই কর্মকর্তা দেখলাম বেশ কনফিডেন্ট নিজের সিস্টেম নিয়ে, আবার বলছেন এই হ্যাক করার প্রচেষ্টা নাকি গত দুবছর ধরে চালাচ্ছিলো, এখন এসে সফল হয়েছে, তার উপর ৭০ জিবির ডাটার ব্যাপারটা অস্বীকার করছেন রীতিমতো! কথা হলো, দু'বছর ধরে চেষ্টা করে থাকলে তাদের এই দুবছরে ডিফেন্স মেকানিজম কি ছিলো ? দুবছরে একবারও টের পায় নাই? এই সিস্টেম এ ঢুকতে দুই বছর? নিরাপত্তায় পুলিশ না রেখে চুরি হওয়ার পর চুরি হওয়ার ব্যাপারটাকে অস্বীকার করলে চোরদেরই লাভ। চোরেরা বসে বসে তো মুচঁকি হাসবেই! মাস ছয়েক আগে সাত কলেজের এক ওয়েবসাইটে লগ-ইন করা হয়েছিলো এক একাউন্ট দিয়ে এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে। কৌতুহলবশত সার্ফিং করতে গিয়ে খেয়াল করলাম ঢাবির ডাটাবেজ লিংকড কিছুক্ষেত্রে। আমি সিকিউরিটি সেক্টরে বলতে গেলে একদম ন্যুব। এখনো তেমন কিছুই জানি না ভালো করে। কলেজের সাইটট...
Dear GEN-Z, সংগ্রাম করে পুরো একটা দেশ স্বাধীন করলা, স্বৈরাচারের পতন ঘটাইলা। কিন্তু আমার কেন জানি মনে হচ্ছে তোমরা নিজেদের মনের ভেতরের স্বৈরাচারকে এখনো দূর করতে পারতেছো না! সংগ্রাম করলা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে। বিজয়ীও হইলা। কিন্তু লাভটা কি হইলো বলো তো আমারে? বড় ভাইদের পেছনে গিয়া শো-ডাউন দিতেছো, সহমত ভাই মনোভাব নিয়ে ঘুরতেছো, গর্ত থেকে বের হয়ে নিজেরে সমন্বয়ক দাবিদার ভাইয়েরা যা বলতেছে তাই করতেছো। একবারও মনটারে জিজ্ঞাইতেছো না, এই ভাইয়েরা যেই যেই কাজ করাইতেছে তোমাদের দিয়া তা কী আদো উপকারী, সমাজের ভালো হচ্ছে নাকি শুধুই সময় আর এনার্জি নষ্ট হইতেছে? গত একটা সপ্তাহ ধরে এলাকায় থাকলাম। খুব আশা নিয়ে আসছিলাম, নিজের এলাকার পরিবর্তন দেখবো স্বচক্ষে। আমার মনে হয় না খুব একটা পরিবর্তনমূলক কিছু করে যেতে কিংবা দিয়ে যেতে পারছি! আমি ব্যর্থ হইলাম, আমার মনে হয় আমার সাথে ব্যর্থ তোমরা অনেকেই। কথা ছিলো, আমরা সমাজের মূল ধারায় পরিবর্তন করবো। কিন্তু পরিশেষে দেখলাম আমরা নিজেরাই সমাজের মূল ধারা হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া গেলাম! খালি দেশ স্বাধীন, দেশ স্বাধীন বইলা না চিল্লাইয়া, একটু ভাবতে বইসো, একটু ক্রিটি...
গত একটা সপ্তাহ ভাবনাগুলোকে শব্দে রূপ দিতে অনেক চেষ্টা করেছি, ব্যর্থ চেষ্টা বলা যায়। এমন অনেক লিখা আছে ব্যাক স্পেস দিয়ে ডিলেট করতে বাধ্য হয়েছি, কারণ বাকস্বাধীনতার অধিকার তো কবেই কেঁড়ে নেওয়া হয়েছিলো এখন জানপ্রাণও নিচ্ছে! চোখ বন্ধ করলে নৃশংসতা, চোখ খুললে বর্বরতা আর পৈশাচিকতা। মানুষ Writer's Block এ আঁটকায়, আর আমি আটকায় আত্মগ্লানিতে। আমার মনে হচ্ছে আমি যা-ই লিখি না কেন, যা-ই ভাবি না কেন, এ-সময়টায় এসব ভাবনার সময় না। জোর করে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করলেও বিবেক প্রতিনিয়ত পীড়া দেয় ব্যাকস্পেস ব্যবহার করার জন্য! স্রষ্টা মানুষ বানানোর সময় সবাইকে বিবেক দিলেও, অপরাধ আর অনুশোচনা বোধশক্তি সবাইকে দেননি। তিনি কাউকে ক্ষমতা দিয়ে বানিয়েছেন ইবলিশের অনুরাগী, কাউকে শুধুমাত্র একবুক সাহস দিয়ে বানিয়েছেন শহীদ। কি এক দেশে বাস করছি, যেখানে একটা নিদিষ্ট গোষ্ঠীর মানুষ মারা গেলে সবাই আলহামদুলিল্লাহ পড়ছে, আরেক শ্রেনীর মানুষ মারা গেলে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়ছে! সবাই মানুষ, পার্থক্য শুধু কাজেকর্মে! কতোটা নিকৃষ্ট কাজকর্ম করলে মানুষের মনে এতোটা ঘৃণা জন্মায় এদের জন্য! একদিন ওপারে চলে যাবো, সেদিন সৃষ্টিকর্তার কাছে...
মন্তব্যসমূহ