মানুষ মারা যাওয়ার পর আল্লাহ আকাশের তাঁরা বানিয়ে রাখলে খারাপ হতো না
ভোররাত ৩:৪৮। অসুস্থ আমি বারান্দায় বসে বসে আকাশ দেখছি। ফজরের আজান দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে মসজিদের মাইকে মাইকে। এই সময়টায় কেমন যেন শান্ত-স্নিগ্ধ বাতাস বয় চারপাশে। মাঝে মাঝে মনে হয় আল্লাহ অসুখ-বিসুখ দিয়েও অনেক ভালো কিছু অভিজ্ঞতার সুযোগ করে দেয়। ঠিক যেমনটা ছোটবেলায় জ্বর উঠলে মায়ের আদর আর সেবাযত্ন পেতাম। এখন আর সেই সৌভাগ্য নেই, সবকিছু একাকী সহ্য করতে হয়। মা ছাড়া বেড়ে ওঠা এই পৃথিবীর এক একটা ছেলেমেয়ে অযত্নে বড় হওয়া ফুল! আমি আকাশ দেখছি। খুব মনোযোগ দিয়ে আকাশের তিমির নিমিষেই কিভাবে নীলাভ রং ধারণ করছে তা বুঝবার চেষ্টা করছি। এর আগেও বেশ অনেকবার অনেক ভোর আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি! আকাশের এই পরিবর্তনের সময়টায় কেমন যেন একটা ঘোর লাগা কাজ করে। ঘোর কাটতে কাটতে ততোক্ষণে আঁধার শেষে আলোর চোখে ক্লান্তি ধরিয়ে দেয়। কি অদ্ভুত সময়টা যেন! আম্মা বলতো যারা আকাশ পছন্দ করে তারা নাকি উদার মনমানসিকতার হয়। আমি নিজেকে মাপার চেষ্টা করছি আমি উদার কি না। এ প্রশ্নের উত্তর আমার জানার কোনো উপায় নেই। এখন ভোর না হলে হয়তো একজনকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করা যেতো, "হ্যালো, তুমি আমাকে উদারতার মাপকাঠিতে কতো দিবে? Out of...