যার জীবনে যা-কিছুর অভাব, সে ওসব কিছুরই গল্প করে। যে চেয়েও যা কিছু পায়নি, সে সেসব কিছু নিয়েই ভাবে
অষ্টাদশ পার করা কিশোরী, যার গালে অস্ত যাওয়া সূর্যের রক্তিম আভার ছাপ, চোখেমুখে জীবন নিয়ে জানার তীব্র আগ্রহ, যাকে নিঃসন্দেহে প্রতিস্থাপিত করে দেওয়া যাবে রোমান্টিক কোনো উপন্যাসের নায়িকার স্থানে, তার পুরুষজাতি নিয়ে বিশাল এক অভিযোগ। ষোড়শের পর তার পেছনে কতো ছেলের লাইন, কিন্তু ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দেওয়া এসব ছেলেদের মাঝে সে ব্যক্তিত্বের ছিটেফোঁটাও খুঁজে পায়নি! পুরুষরূপী প্রেমিক হতে গিয়ে মাঝখানে ব্যক্তিত্ব ভুলে গিয়েছে যেন, সিম্প হয়ে যায় একটু এটেনশন পেলে-ই! আর এইদিকে, দুই যুগ পাড়ি দেওয়া যুবকের কাছে নিজের আত্মসম্মানবোধ ছাড়া আর কিছুই নেই পুঁজি! পুরো একটা যুগ চলে গিয়েছে বেচারার ব্যক্তিত্ব গড়তেই। যার জন্য এতো পড়াশোনা, এতোকিছুর অভ্যেস, তারপরও কোথায় যেন নিজের ব্যক্তিত্বে কমতি থেকেই যায় বলে মনে হয় তার। তার কাছে সৌন্দর্য্য মানে চোখের শান্তি, প্রেমিকা মানে মানসিক শান্তি, পরিবার মানে সামাজিক স্বীকৃতি। বই তাকে যা শিখিয়েছে, বাস্তবতা তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে, জীবনে পার্ফেক্ট মানুষ হওয়ার চেয়ে মানিয়ে নেওয়া সহজ। ওয়েস্টার্ন ফিলোসোফি সব ভুল! যার জীবনে যা-কিছুর অভাব, সে ওসব কিছুরই গল্...