পূর্ণিমার আলো
পূর্ণিমার আলোয় এক ধরনের বিষাদগ্রস্ততা কাজ করে। আবছায়া এই আলো- আঁধারির খেলায় কত-শত স্মৃতিরা মনে পড়ে যায়। মনে পড়ে যায়, পূর্ণিমার আলোয় উঠোনে বসে গোল হয়ে আড্ডা দেওয়ার দিনগুলি। মনে পড়ে, লোডশেডিংয়ের রাতে হারিকেনের আলোয় পড়তে বসে পূর্ণিমার আলোয় বের হতে না পারার আফসোসের সেই দিনগুলি। দুপাশের ধানক্ষেতের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া গ্রামের সেই রাস্তাটায় পূর্ণিমার আলোয় নিজের ছায়াটার সাথে হেঁটে চলার সেই দিনগুলি বড্ড বেশি স্মৃতিকাতর করে তুলে। ছোটবেলায় এই পূর্ণিমার আলোয় উঠোনে বসে ফিনিক্স পাখির গল্প শুনতাম আর ভাবতাম, "পূর্ণিমার আলো থেকেও কেন ফিনিক্স পাখি জন্মায় না? তাহলে তো আরো শক্তিশালী হতো এরা, নাকি জন্মায় অন্যকোনো রূপে অন্যকোনো উপায়ে?"। কি এক অদ্ভুত সুন্দর ছিলো সেদিনগুলো! এখন আর তেমন পূর্ণিমা দেখার সুযোগ হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততা আর শহররে চটকদার আলো, ভেতর ভেতর বড্ড বেশি যান্ত্রিক করে দিচ্ছে । একদিন খুব আয়োজন করে পূর্ণিমা বিলাস করবো। গ্রামের সেই ছোট্ট ব্রীজটায় দাঁড়িয়ে খুব করে সেই আলো লুফে নিবো। ছাদের কোনো এক কার্ণিশে দাঁড়িয়ে একহাতে কফির মগ আরেক হাতে পুরোনো ডায়রির পাতার পুরাতন কোনো কবিতার লাইন সেই আব...