কোয়ারেন্টিনে হিমু (পার্ট - ০২)
হিমুর ঘুম ভাঙ্গতেই চোখ খুলে দেখে মাথার উপর সিলিং ফ্যানটা ঘুরছে। "আচ্ছা, পাখার তিনটা ব্লেড থাকে কেন?" কোথায় যেন এর উত্তরটা পড়েছিল মনে করতে পারছে না এই মূহুর্তে। "একটা পাখার যত বেশি ব্লেড থাকবে তার বাতাস ততো বেশি হয়,তিনটার থেকে চারটা ব্লেডের পাখার বাতাস বেশি হয়"। তাহলে পাঁচটা ব্যবহার করলে.......?!!!! মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে যাচ্ছে। ঠিক কয়টা বাজে তাও আন্দাজ করতে পারছে না, কারণ আশেপাশে কোনো ঘড়ি নেই। ও যেই ঘরটায় থাকে তাতে একটা খাট,একটা চেয়ার একটা টেবিল,কাল রাতে বজলুর রেখে যাওয়া একটা পানির বোতল ছাড়া আর কিছুই নেই।খোলা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়েও কিছু আন্দাজ করার উপায় নেই, আকাশ মেঘলা হয়ে আছে। আচ্ছা, সূর্যের অবস্থান দেখে যেমন সময় বলে দেওয়া যায় তেমনই মেঘের রং দেখে যদি সময় বলে দেওয়া যেত?! ব্যাপারটা মন্দ হতো না! তবে পাখার স্পীড দেখে মনে হচ্ছে দুপুর হয়ে গিয়েছে, কারণ বেলা যত গড়ায় ওর রুমের পাখাটার স্পীড যেন ততো কমতে থাকে, ব্যাপারটা অনেকদিন ধরে খেয়াল করছে ও৷ এসব ভাবতে ভাবতে আবার ঘুমিয়ে পড়লো হিমু। যখন ঘুম থেকে উঠলো তখন প্রায় সন্ধ্যা গড়িয়েছে, বাইরে কয়েকটা মসজিদে একসাথে আযান দিচ্ছে। সন্...