একদিন হিমু হবো
একদিন হিমু হবো,পকেটবিহীন হলুদ পাঞ্জাবি পড়ে বের হয়ে যাবো রাতের এই শহর ঘুরতে। পার্থিব এই টাকা পয়সার ভার থেকে নিজেকে মুক্ত অনুভব করা ভীষণ প্রয়োজন।
একদিন হিমু হবো,খালি পায়ে বেড়িয়ে পড়বো এই শহর ঘুরতে। দেহের সাথে এই মাটির যেই সম্পর্ক তা অনুভব করতে চাই,প্রতিটা কদমে।
একদিন হিমু হবো,এই ভ্যাগাবন্ড উদ্ভ্রান্ত মন দিয়ে ভঁড়কে দিবো আশে পাশের মানুষকে। এই যান্ত্রিক শহরে আঙ্গুল কাটা জগলু, র্যাবের মহাপরিচালক , ওসি নাজমুল হুদা, মাজেদা খালা, রহিম-করিম মিয়ার মতো ব্যতিক্রমী চিন্তার মানুষদের খুঁজে বের করে জম্পেশ আড্ডা দিবো।
একদিন হিমু হবো,শুভ্র-বাদল এদের মতো কিছু শিষ্য থাকবে আমার। নিজেকে এই ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স এর জগত থেকে আলাদা করে কিছু সময়ের জন্য হলেও মহামানব ভাবার বড় ইচ্ছে!
একদিন হিমু হবো,সারা রাত এই শহর ঘুরে ঘুরে গল্প তৈরি করে এসে সারাদিন পরে ঘুমাবো। এই ৮-৫ টার যান্ত্রিক রুটিন ছুড়ে ফেলে দিয়ে, নিজের মতো করে কিছুটা দিন বাঁচতে চাই।
একদিন হিমু হবো,কোনো এক পূর্ণিমার রাতে রূপাকে নীল শাড়ি পড়ে ছাদে আসতে বলবো। আসবো না জেনেও সেঁজে ছাদে আসবে সে। পূর্নিমার আলোয় নাকি সব রং অস্পষ্ট মনে হয়। হিমু প্রতি বার না গেলেও এবার আমি যাবো। রূপার দৃষ্টির আড়ালে দাঁড়িয়ে চেয়ে দেখবো, ভালোবাসা আর বেদনার এই নীল রং ফিকে দেখায় কিনা! রূপবতী এই মেয়েটার রূপ,চাঁদের আলো কিছু অংশে কমাতে পারে কি-না। নিজ চোখে দেখতে চাই ভালোবেসে অনিশ্চিত প্রতীক্ষার করার রূপ কেমন হয়!
মন্তব্যসমূহ