কোনো রকমে বাঁচা আর বাঁচার মতো বাঁচার মাঝে যেই সাড়ে তিন হাতের ব্যবধান তার পুরোটা জুড়েই রুচিশীলতা
এ জীবনে কারো কোনো রকমে একটা বাড়ি হলেই সে খুশি। কারো আবার দক্ষিণমুখো একটা বাসা-ই দরকার, সেটা নিজের হোক কিংবা ভাড়াটে। কেউ ভাড়াটে বাড়িকে এমনভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে যত্নে রাখে মনেই হয় না উনারা সাময়িক বাসিন্দা। কেউ একটুখানি মাথা গুজার ঠাঁই খুঁজে, কেউবা যতোদিন বাঁচে বাঁচার মতো বাঁচতে চায়।
কেউ ফুল ছিঁড়ে কানে গুঁজে নিজের সৌন্দর্য্য বাড়ানোর জন্য, কেউ ফুল চাষ করে জীবিকার তাগিদে। যারা গোলাপ চাষ করে, তাদের অনেকের কাছে গোলাপ ফুল সাধারণ একটা ফুল মাত্র। আবার যে ফুল দেখতে গোলাপ বাগানে ছুটে, তার কাছে গোলাপ সৌন্দর্যের প্রতীক।
লাইফের একটা স্টেজে এসে তারও বয়স ত্রিশ ছুঁই, আপনারও বয়স ত্রিশ ছুঁই। পেছনে ফিরে তাকালে আপনার না থাকে সুন্দর কোনো মুহূর্ত, না থাকে ভালো কিছু স্মৃতি। এই ত্রিরিশে দাঁড়িয়ে বুঝতে পারেন, যেই সময়টার জন্য পেছনে এতোকিছু উৎসর্গ করে এসেছেন, এই সময়ে এসে সবকিছুর যোগফল শূন্য! আপনার আর জীবনের প্রতি অহংবোধ থাকলো না, থাকলো না কোনো আকাঙ্ক্ষাও। অপরদিকে, আপনার বয়সী আরেকজন তখন সাফল্যের সিঁড়ি যেন ক্রমান্বয়ে ডিঙিয়ে যাচ্ছে!
কোনো রকমে বাঁচা আর বাঁচার মতো বাঁচার মাঝে যেই সাড়ে তিন হাতের ব্যবধান তার পুরোটা জুড়েই রুচিশীলতা। এই রুচিশীলতা আসে চিন্তাধারা থেকে। একটা মানুষের চিন্তাধারা যতো উন্নত, তার জীবন নিয়ে ভাবনা, Way of thinking ও ততো অন্যরকম। গড়পড়তার চিন্তাধারা নিয়ে কোনোভাবে হয়তো একটা জীবন পার করে দেওয়া গেলেও, বাঁচার মতো বাঁচা যায় না!
মন্তব্যসমূহ