পোস্টগুলি

কোয়ারেন্টিনে হিমু(পার্ট - ০১)

দু'পা জুলিয়ে ছাঁদের কার্নিশে বসে আছে হিমু। কি সুন্দর পূর্নিমার চাঁদ উঠেছে। লকডাউনের কারণে শহরটা একদম ফাঁকা হয়েছে, তাতে যেন প্রকৃতির পুষছে না তাই পূর্ণিমার আলোটুকু ফাঁকা রাস্তাঘাটের মায়াজাল আরও বাড়িয়ে তুলছে। আচ্ছা রূপাকে কি এখন ফোন দিয়ে বলবে, "চলো আজ এই শহরটায় পূর্ণিমা দেখতে বের হই!"।মেয়েটা ওর এই একটা কলের আশায় বসে থাকে। হিমু জানে একথা শোনার সাথে সাথে রূপা তার পছন্দের নীল শাড়িটা পড়ে, চোখে হালকা কাজল, কপালে কালো টিপ দিয়ে ওর জন্য সেজেগুজে বসে থাকবে এমনকি রূপা এটাও জানে হিমু কখনো আসবে না তারপরও ঠিকই সেজেগুজে অপেক্ষা করে। হিমু এমনটা প্রতিবারই করে, কারণ সে সাহস পাই না। মেয়েটা এমনিতেই মায়াবী, মনে হয় দুচোখে দুটো সমুদ্র বহমান,পানি যেন টলমল করছে, একটু পলক ফেললেই জল গড়িয়ে পড়বে। এমন মেয়ের প্রেমে চোখ বন্ধ করে বলা যায় যেকোনো ছেলে পড়তে বাধ্য। কিন্তু হিমুরা সবকিছুর উর্ধ্বে, মুক্ত জীবনটাকে প্রেম ভালোবাসা নামক মায়াজালে বন্দী করতে চাই না।  জগতের সবথেকে নির্মম বাস্তবতা হলো শিল্পীর নিজ হাতে তার শিল্প ধ্বংস করে ফেলা,যেমনটা ভারতের কিছু প্রদেশে দূর্গো পূজার সময় যে শিল্পী মূর্তি বানান তিনি নিজ হা...

My 2019!!

আমার জীবনে এই বছরটা তুলনামুলকভাবে অনেক ভাল কেটেছে । হারানো থেকে  পাওয়ার পাল্লাটা ছিল সবথেকে ভারী । ১৯’এ কলেজ জীবনে যা যা পেলাম : ১। প্রথম আলো ম্যাথ অলিম্পিয়াড আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রথম ।  ২।রাত জেগে তাঁরাদের ছিটকে পড়া দেখার আনন্দ । ৩।সবথেকে বেশি পেয়েছি বড় আপুর হাতে রান্না করা খাবার । দূর থেকে এসে  রুমে এসে নিজ হাতে খাইতে দিয়ে যেত ।  ৪। বড় আপুর পর যার হাতের রান্না বেশি খেয়েছি সে আমার “আকাঙ্ক্ষার কেউ” পুডিং,সেমাই,সেমাই কাবাব, কালজিরার ভর্তা, মাছ ,মাংস ,হরেক রকমের মিষ্টি  রেসিপি,বিরিয়ানি  বিরিয়ানি আর বিরিয়ানি ! ৫। শহরের শীতের ভোর একসাথে দেখার আনন্দ । ৬। প্রাইভেট স্যারদের পচাঁনি (এখান যত ভাবি তত হাঁসি পাই !) ৭। রাতে টিউশন শেষে ক্লান্ত শরীরে প্লাটফর্মের জসীম মামার চায়ে চুমুক দেওয়া  ছিল আরও বড় প্রাপ্তি । ৮। কলেজ লাইফের বন্ধুরা ছিল আরেকটা বড় প্রাপ্তি । কারো কাছ থেকে  পড়ালেখা শিখতাম তো কাউকে দেখে ম্যানার , নেশা করা ছেলাটার কাছ থেকে  গল্পের ছলে ঠিকই বুঝে নিতাম এতোটা হতাশ হওয়া যাবে না যতোটা হলে  মরণব্যাধি নেশাকে আমার ধরতেই হবে । ৯। এইচ.এস.সি. টেস্ট পর...