স্থিতিস্থাপক সীমার মাঝে পীড়ন বিকৃতির সমানুপাতিক
ফিজিক্সে খুব সুন্দর একটা থিওরি আছে,
"স্থিতিস্থাপক সীমার মাঝে পীড়ন বিকৃতির সমানুপাতিক"। হুকের এই থিওরির সহজ বাংলা করলে দাঁড়ায়,
"লেবু বেশি কচলালে তেঁতো হয়ে যায়, ততটুকুই কচলানো উচিত যতটুকু তার রস আছে"।
আমরা বাস্তব জীবনে এর রেজাল্ট অহরহ দেখছি। কেউ তার ব্যক্তিজীবনে, কেউ একাডেমিক লাইফে, কেউ প্রফেশনাল লাইফে। একজীবনে যেন এর বহুমাত্রিক প্রয়োগ!
পৃথিবীতে প্রতিটা মানুষেরই তার সীমার মাঝে রাখা উচিত। সীমার বাইরে যেতে দিলেই যতো সমস্যা। আপনি তাকে যখন ঘাড় থেকে মাথায় তুলবেন, তখনই সে মাথায় উঠে নেচে আপনারই মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠবে। সীমার মাঝে রাখেন সে আপনাকে সম্মান, শ্রদ্ধা সবটুকু দিবে। এর বাইরে এক্সেস দিলেই আপনার চোদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে রেখে দিবে!
রবার্ট হুকের এই থিওরির বিস্তৃত প্রয়োগ আমি বেশিরভাগ দেখি আজকালের ভালোবাসায়। তারপর সবথেকে বেশি দেখি একাডেমিক লাইফে। কি এক ডেস্পারেশন, কি এক গভীরতা! মানুষ যেন ভুলে যায় তার আসল পরিচয়, ভুলে যায় তার দেওয়া সহ্যের সীমা। তারপর একদিন ব্যক্তিগত কিংবা একাডেমিক জীবন থেকে চিরতরে মন ছুটে যায়।
আসলে আমরা কোনো মানুষকে ভুলি না, শুধু এসব মানুষের দেওয়া সহ্যের সীমা পার করে যাই!
তেমনিভাবে একাডেমিক লাইফে কেউ খারাপ স্টুডেন্ট হয় না, তারা শুধু এই সমানুপাতিকতা ব্যালেন্স করতে জানে না!
মন্তব্যসমূহ