যে জীবন কাক পক্ষির, মানুষ বিষাদগ্রস্ততার বিশারদ!
আপনার জীবন অন্য আট-দশটা জীবনের মতো না। আপনার জীবন একদম স্বতন্ত্র। এই চিন্তাধারা যতদিন না আপনার মস্তিষ্কে শীতল স্রোতধারা সৃষ্টি করবে, ততোদিন আপনার জীবন আপনার কাছে অনেক জটিল মনে হবে।
আপনি চাইলেই আপনার আশপাশের মানুষের জীবনের সাথে নিজের জীবনের তুলনা করতে পারেন না। তুলনা করাটা সৃষ্টিকর্তা পাপ হিসেবে দেখেন কিনা জানা নেই আমার। তবে আমার কাছে মানবিক দিক থেকে দেখতে গেলে ভীষন পাপ মনে হয়!
ছোটবেলায় জীবন এতো নিষ্পাপ, হাসিখুশি হওয়ার পেছনে সবথেকে বড় যে কারণ, তা হলো তখন জীবনে তুলনা করার প্রতিযোগিতাবোধ সৃষ্টি হয় নাই। যেইমাত্র স্কুলে ভর্তি করানো হয়, তখন প্রথমদিন থেকেই তাকে শিখানো হয় প্রতিযোগিতার লড়াই। সচেতন মানুষদের চোখে এ এক অসুস্থ বিনোদন!
এখন আমরা বড় হয়ে গিয়েছি। মানুষের সাথে তো বটেই ইট-পাথরের সাথেও পর্যন্ত আমাদের নিজেদের তুলনা করে বসি। আকাশের মতো বিশাল হতে চাই, কংক্রিটের প্রাচীরের মতো শক্ত হতে চাই, হাই স্পিড রেসিং কারের মতো জীবন নিয়ে ছুটতে চাই। অথচ দিনশেষে, আমি আর আমার নিজের মতোই হয়ে ওঠতে পারি না! একদিন হয়তো তীব্র বিষাদ নিয়ে মারা যাবো, মরে যাওয়ার পরও মানুষ লাশের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এ জীবন নিয়ে কম্পেয়ারিজন করবে।
মন্তব্যসমূহ