Passion ছেড়ে Professional হয়ে উঠে চব্বিশের সদ্য গ্রেজুয়েট!
দুই যুগ পার করে ফেলা যুবকের ঠোঁটের কোণে ক্লান্তির হাসি। ফেলে আসা বয়সের সমীকরণ মিলাতে গেলে কেন যেন ফলাফল শূন্যে এসে নামে বারবার। এই যে পাওয়া না পাওয়ার দায়ভার, তা কেবল একান্তই নিজের কাঁধেই নিতে হয়। যে বয়সে এসে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখতো সে, সেই বয়সে এসে যখন বুঝতে পারে পায়ের নিচের মাটি-ই এখনো শক্ত করতে পারেনি সে!
নিজের চাহিদার কথা কাউকে বলতে না পারার যেই হাপিত্যেশবোধ, একে একে স্বপ্নগুলো অপূর্ণ থেকে যাওয়ার যেই ক্লান্তি, তা নির্ঘুম এই দুচোখের দিকে তাকালে যে-কেউ বুঝতে পারবে।
এই দুই যুগে দুই ডজনেরও বেশি মানুষ হারিয়েও নির্বাক যুবক। নিবার্ক না হওয়ারও কারণ দেখছি না! রোজ নিয়ম করে মানুষ আসে, নিয়ম করে মন ভেঙে দিয়ে যেতে যেতে মনকে পাথর করে দিয়ে গেছে। এখন আর পাথরের প্রাচীর ভেদ করে ওপাশটায় পৌঁছায় না কিছু।
জীবনকে গতিশীল ভাবতে ভাবতে এতো এতো মানুষকে পেছন ফেলে আসতে হয়েছে যে, এখন আর নিজের মানুষ, নিজের আত্মীয়স্বজন বলতে আর কেউ নেই। সাফল্যের পেছনে ছুটতে ছুটতে উপলব্ধি করতে পারছে যে, দিনশেষে সাফল্য এক মরীচিকা মাত্র। এই মরীচিকা নামক গন্তব্যের দূরত্ব অসীম।
এই দুই যুগ পেরোনো বয়স, বাকি চার যুগ বাঁচার স্বপ্ন দেখে। অথচ, এই দুই যুগ জীবনীশক্তি যা গ্রাস করার তা করে অর্ধমৃত করে দিয়েছে ইতিমধ্যে। তারপরও সে একটা মৃত প্রায় মন নিয়ে দেহটাকে যান্ত্রিক বানিয়ে দিব্যি বাঁচবার শখ পুষছে!
এভাবেই একদিন Passion ছেড়ে Professional হয়ে উঠে চব্বিশের সদ্য গ্রেজুয়েট সেই যুবক!
মন্তব্যসমূহ