আমার কাছে চা একটা ম্যাজিক্যাল রেসিপি!
মগ ভর্তি গরম পানি সাথে দুই চা-চামচ চিনি, ছোট এক টুকরো লেবু, একটা টি-ব্যাগ। এই একই চা আমি রুমের বারান্দায়,ছাদে,পড়ার টেবিলে,সব জায়গায় পান করি। একেক জায়গায় এক এক স্বাদ টের পাই। অথচ প্রতিবার ওই একই উপকরণ!
যখন খুব স্ট্রেসে থাকি,চা নিয়ে ছাদে চলে যাই। চায়ের ধোঁয়ার মতোই যেন স্ট্রেসগুলো ক্রমশ হালকা হয়ে মিলিয়ে যায়! ক্লান্ত শরীর যখন পড়ার টেবিলকে আর গ্রহণ করতে চায় না, তখন এই চা-ই যেন সেল্ফ-মোটিভেশান জাগায়। একটা মন খারাপের বিকেলের সঙ্গী এই মগ ভর্তি চা ৷
স্টেশনের চা, কড়া লিকারের সমপরিমাণ গরুর দুধ, সাথে দুই চা-চামচ চিনি। এই একই দোকানের অভিন্ন চা, আড্ডায় এক রকম স্বাদ, ফুটওভারের উপর একাকী দাঁড়িয়ে পান করার সময় আরেক রকম স্বাদ, আবার চলন্ত ট্রেনে জানালার পাশের সিটটায় বসে পান করার সময় সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদ!প্রতিবারের তৃপ্তি যেন ভিন্নতার উপলব্ধি দেয়!
চা আড্ডা জমায়,চা গল্প তৈরি করে,চা একাকীত্বের সঙ্গী হয়, চা একাকী বসে ভাবতে সাহায্য করে, চা এন্টি ডিপ্রেশন এর ঔষধ হিসেবে কাজ করে৷
A cup of tea can fix myself,but you can't!
আপনার ব্যক্তিগত জীবন অনলাইনে বেচা-কেনা হচ্ছে
কালবেলার নিউজে দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী আর স্টাফদের ব্যক্তিগত তথ্য (প্রায় ৭০ জিবি ডাটা) হ্যাকাররা হাতিয়ে নিয়েছে। এ নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আইটি সেলের কর্মকতার মাঝে তেমন কোনো ভ্রুক্ষেপই দেখা গেল না, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কথা তো বাদই দিলাম! সেই কর্মকর্তা দেখলাম বেশ কনফিডেন্ট নিজের সিস্টেম নিয়ে, আবার বলছেন এই হ্যাক করার প্রচেষ্টা নাকি গত দুবছর ধরে চালাচ্ছিলো, এখন এসে সফল হয়েছে, তার উপর ৭০ জিবির ডাটার ব্যাপারটা অস্বীকার করছেন রীতিমতো! কথা হলো, দু'বছর ধরে চেষ্টা করে থাকলে তাদের এই দুবছরে ডিফেন্স মেকানিজম কি ছিলো ? দুবছরে একবারও টের পায় নাই? এই সিস্টেম এ ঢুকতে দুই বছর? নিরাপত্তায় পুলিশ না রেখে চুরি হওয়ার পর চুরি হওয়ার ব্যাপারটাকে অস্বীকার করলে চোরদেরই লাভ। চোরেরা বসে বসে তো মুচঁকি হাসবেই! মাস ছয়েক আগে সাত কলেজের এক ওয়েবসাইটে লগ-ইন করা হয়েছিলো এক একাউন্ট দিয়ে এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে। কৌতুহলবশত সার্ফিং করতে গিয়ে খেয়াল করলাম ঢাবির ডাটাবেজ লিংকড কিছুক্ষেত্রে। আমি সিকিউরিটি সেক্টরে বলতে গেলে একদম ন্যুব। এখনো তেমন কিছুই জানি না ভালো করে। কলেজের সাইটট...

মন্তব্যসমূহ