"Double Standard"

পৃথিবীর প্রতিটা মানুষের দুইটা সত্ত্বা থাকে,যাকে আমরা ''Duel personality" হিসেবে জানি। অনেকে আবার "double standard" ও বলে!  

প্রথম সত্ত্বা, যা আমাদের দিনের আলোতে কিংবা সবার সামনে নিজেকে উপস্থাপন করতে শিখায়। আর অন্যটি আমাদের নিজের সামনে নিজেকে একাকী উপস্থাপন করতে শিখায়।

চাঁদের যেমন দুটো রূপ আছে,আলো এবং অন্ধকার তেমনিভাবে মানুষের এই দুই সত্ত্বা কাজ করে।আমরা আলোয় নিজেকে একভাবে পরিচিত করায়, অন্ধকারে ঠিক অন্যভাবে। 

মজার ব্যাপার হলো,আমরা অন্ধকারে কখনো নিজের আসল রূপ লুকাতে পারি না,নিজের কাছে নিজের সবকিছু ধরা পরে যাই। এসময় আমরা নিজের সাথে নিজে কথা বলি, গল্প গোছায়, সারাদিনের ব্যস্ততা ভাগাভাগি করি! 

অপরদিকে,দিনের আলোয় কিংবা সবার মাঝে আমরা একটা ইমেজ নিয়ে সারাক্ষণ ঘুরঘুর করি। আপনার মন চাইছে না এভাবে কাজটা করতে কিন্তু তারপরও কাজটা করতে হবে, নয়তো সবার সামনে নিজের ইমেজ খারাপ হবে যে! দীর্ঘদিন ধরে একটা মানুষকে ভালোবাসেন কিন্তু বলতে পারছেন না। কারণ ওই যে, দিনের আলোয় থাকা সত্ত্বা আপনাকে বাঁধা দিচ্ছে কে কি মনে করবে এই জন্যে!

দিনশেষে নিজ সত্ত্বার,নিজের সাথে কথা বলা, গল্প করা সত্ত্বারই মূল্যায়ন করতে শিখুন। কে কি ভাবলো এসব নিয়ে পরে থাকা সত্ত্বা আপনাকে অনেকটা পিছিয়ে রাখবো। দিনশেষে আপনি একা হয়ে পড়বেনই। 

আমরা মানুষ, সামাজিক ট্যাগধারী হলেও দিনশেষে নিজের সাথেই একা থাকতে হয়! একই ছাঁদের নিচে একই রুমে বেড শেয়ার করার পরেও দেখবেন ওই মানুষটাকে আপনার এমন অনেক গল্পই আছে শেয়ার করতে পারছেন না,এমন অনেক দায়িত্ব আছে যা দিতে পারছেন না। তাহলে আমরা স্যোসাইলিস্টিক কিভাবে হলাম? 

একসাথে বসবাস করা যদি স্যোসাইলিস্টিক কিংবা ডোমেস্টিক হওয়া বুঝায় তাহলে বুনো হাতির পাল আর মাছের পোনারা সবথেকে বেশি স্যোসাইলিস্টিক!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আপনার ব্যক্তিগত জীবন অনলাইনে বেচা-কেনা হচ্ছে

Dear GEN-Z

QuotaReformProtest