কবি ও ফুল

         কবি আজও বারংবার সেই একটি ফুলের প্রেমে পড়ে

        কবি আজও ঘুমের ঘোরে সেই ফুলেই বাগান ভরে।
        সেই ফুল,
        সে তো নিষ্পাপ, ভালবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
        সেই ফুল,
        সে তো আজও সুবাস ছড়ায় মনের ঘরে।
        সেই ফুলকে ভালবেসে প্রকৃতির কাছে যাওয়া,
      সেই ফুলকে ভালবেসে যত সুখ, রঙ্গিন অনুভুতি পাওয়া।
                      জান সেই ফুলটিকে? 
                    সে এক অপরূপ প্রেম প্রিয়সী। 
   যার কাজল কালো চোখের গভীরতায় আমি হারিয়ে যায়।       যার ঈষৎ রাঙ্গা গোলাপী ঠোঁটের ভাষায় আমি মুগ্ধ।   
            যার মায়াবী চেহারায় আমি আবেগাপ্লুত। 
     যার লজ্জাবতীর ন্যায় আচরণে আমি আর চঞ্চল। 
            যার স্পর্শে আমি অন্যভুবন খোঁজে পাই। 
          যার কাধে মাথা রাখলে সুখগুলো বেড়ে যায়,  
                     দুঃখগুলো হালকা হয়ে যাই। 
 দিনের শুরুতে আমাদের উষ্ণ ভালবাসায় সূর্যটা উঁকি দেয়, 
                 শহরের বুকে ব্যস্ততা নেমে আসে। 
  আমাদের একসাথে পথচলায় সূর্যটা প্রখরতা কমিয়ে দেয়,
              পাখিগুলো মনের সুখে উড়ে বেড়ায়। 
              দুজনের হাতে হাত রেখে দৃষ্টি বিনিময় 
                     সময়টাকে স্থির করে দেয়। 
               গাছের পাতাগুলো নড়তে ভুলে যাই 
                 বাতাসটা ধীরে বইতে শুরু করে। 
              এভাবেই একে অপরের কাছে আসা 
           একজনের সুখে আরেকজন সুখী হওয়া 
               একে অপরের দুঃখে দুখী হওয়া। 
         সেই প্রথম চুম্বন, দুজনকে সম্পূর্ণভাবে যেন 
                    একে অপরের করে দেওয়া। 
        হারিয়ে যাওয়া একজন আরেকজনের সেই
                উষ্ণ কোমল ঠোঁটের শুভেচ্ছায়। 
           প্রকৃতিটা যেন সেদিন থমকে গিয়েছিল 
         সূর্যটা লুকিয়ে গিয়েছিল মেঘের আড়ালে 
     চরপাশের মানুষগুলো যেন দেখেও ব্যস্ত হওয়ার ভান 
     ফ্লাইওভারটাও দুজনের পায়ে পা রেখে হেটেঁ যাওয়ায় 
                    নিজেকে ধন্য মনে করছিল। 
   যেন সুপ্ত সুরে বলে যাচ্ছিল "শুভ হোক তোমাদের পথচলা
                 পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ থেকো এভাবেই। "
                             শোনো মেয়ে, 
প্রকৃতিটাকে চিৎকার করে বলব "তুমি আমার শুধুই আমার 
                       আড়ালে, অন্তরালে, আবডালে। 
                           শোনো মেয়ে, 
           সবাইকে দুজনে মিলে ভালবাসার এক উৎকৃষ্ট 
        উদাহরণ এনে দিব, শুধু তুমি থেকো আমার পাশে। 
                          শোনো মেয়ে, 
              যতই বাধা আসুক, সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আমাদের 
                     কেউই আলাদা করতে পারবে না।
                       সব প্রতিকুলতাকে হার মানাবো,
                         শুধু হাত রেখো  আমার হাতে। 
                             শোনো মেয়ে, 
  ভালবাসি তোমায়, এভাবেই আজীবন ভালবেসে যেতে চাই
        হাজারটা মেয়ে আসুক জীবনে তবুও তোমাকেই চাই। 
    জান, শীতের সকালটা আমাদের অপেক্ষাই প্রহর গুনছে, 
             চলো না দুজনে মিলে ছুটে যাই শীতের সকালটা! 
                          হ্যা যাব আমরা, অবশ্যই যাব।
 কোনো এক শীতের কুয়াশা ঘেরা সকালটায় একে অপরের          হাতে হাত ধরে,
       সেই সকালটাকে ভালবেসে পূর্ণতা এনে দিব 
        যাতে তার অপেক্ষার প্রহর গুনা স্বার্থক হয়। 
        কোনো একদিন তোমাকে নীল শাড়ি পড়িয়ে 
              এই পুরো শহরটা ঘুরিয়ে দেখাব, 
      সেই দিন এই শহরটার সকল যান্ত্রিকতা থেমে যাবে 
সেইদিন শহরটা কোলাহলের ভীড়ে ভালবাসতে শিখে যাবে।     
পৃথিবীতে যত অসম্পূর্ণ হাহাকার মাখানো সম্পর্কগুলো        আছে, 
 আমাদের সম্পর্কটা যেন তাদের পূর্ণতা দিতে উদ্দীপ্ত করে        তুলে। 
       যত ইবাদত, যতো ভালবাসা আছে দুজজনের 
         একে অপরের সাথে এক হয়ে করতে পারি 
                           সেই কামনাই করি। 

              তোমার অপূর্ণতা, তোমার চোখে পানি এনে 
                   আমি কখনো সুখে থাকতে পারব না 
        যদি কখনো কাদঁতে মনে চাই, নীরবে কেঁদো না, 
 আমার বুকে মাথা রেখে কেঁদে নিও যতো অভিমানই করো।       


        কবি আজও বারংবার সেই একটি ফুলের প্রেমে পড়ে
        কবি আজও ঘুমের ঘোরে সেই ফুলেই বাগান ভরে।
        সেই ফুল,
        সে তো নিষ্পাপ, ভালবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
        সেই ফুল,
        সে তো আজও সুবাস ছড়ায় মনের ঘরে।
        সেই ফুলকে ভালবেসে প্রকৃতির কাছে যাওয়া,
      সেই ফুলকে ভালবেসে যত সুখ, রঙ্গিন অনুভুতি পাওয়া।
                      জান সেই ফুলটিকে? 
                    সে এক অপরূপ প্রেম প্রিয়সী। 
   যার কাজল কালো চোখের গভীরতায় আমি হারিয়ে যায়।      
    যার ঈষৎ রাঙ্গা গোলাপী ঠোঁটের ভাষায় আমি মুগ্ধ।   
            যার মায়াবী চেহারায় আমি আবেগাপ্লুত। 
     যার লজ্জাবতীর ন্যায় আচরণে আমি আর চঞ্চল। 
            যার স্পর্শে আমি অন্যভুবন খোঁজে পাই। 
          যার কাধে মাথা রাখলে সুখগুলো বেড়ে যায়,  
                     দুঃখগুলো হালকা হয়ে যাই। 
 দিনের শুরুতে আমাদের উষ্ণ ভালবাসায় সূর্যটা উঁকি দেয়, 
                 শহরের বুকে ব্যস্ততা নেমে আসে। 
  আমাদের একসাথে পথচলায় সূর্যটা প্রখরতা কমিয়ে দেয়,
              পাখিগুলো মনের সুখে উড়ে বেড়ায়। 
              দুজনের হাতে হাত রেখে দৃষ্টি বিনিময় 
                     সময়টাকে স্থির করে দেয়। 
               গাছের পাতাগুলো নড়তে ভুলে যাই 
                 বাতাসটা ধীরে বইতে শুরু করে। 
              এভাবেই একে অপরের কাছে আসা 
           একজনের সুখে আরেকজন সুখী হওয়া 
               একে অপরের দুঃখে দুখী হওয়া। 
         সেই প্রথম চুম্বন, দুজনকে সম্পূর্ণভাবে যেন 
                    একে অপরের করে দেওয়া। 
        হারিয়ে যাওয়া একজন আরেকজনের সেই
                উষ্ণ কোমল ঠোঁটের শুভেচ্ছায়। 
           প্রকৃতিটা যেন সেদিন থমকে গিয়েছিল 
         সূর্যটা লুকিয়ে গিয়েছিল মেঘের আড়ালে 
     চরপাশের মানুষগুলো যেন দেখেও ব্যস্ত হওয়ার ভান 
     ফ্লাইওভারটাও দুজনের পায়ে পা রেখে হেটেঁ যাওয়ায় 
                    নিজেকে ধন্য মনে করছিল। 
   যেন সুপ্ত সুরে বলে যাচ্ছিল "শুভ হোক তোমাদের পথচলা
                 পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ থেকো এভাবেই। "
                             শোনো মেয়ে, 
প্রকৃতিটাকে চিৎকার করে বলব "তুমি আমার শুধুই আমার 
                       আড়ালে, অন্তরালে, আবডালে। 
                           শোনো মেয়ে, 
           সবাইকে দুজনে মিলে ভালবাসার এক উৎকৃষ্ট 
        উদাহরণ এনে দিব, শুধু তুমি থেকো আমার পাশে। 
                          শোনো মেয়ে, 
              যতই বাধা আসুক, সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আমাদের 
                     কেউই আলাদা করতে পারবে না।
                       সব প্রতিকুলতাকে হার মানাবো,
                         শুধু হাত রেখো  আমার হাতে। 
                             শোনো মেয়ে, 
  ভালবাসি তোমায়, এভাবেই আজীবন ভালবেসে যেতে চাই
        হাজারটা মেয়ে আসুক জীবনে তবুও তোমাকেই চাই। 
    জান, শীতের সকালটা আমাদের অপেক্ষাই প্রহর গুনছে, 
             চলো না দুজনে মিলে ছুটে যাই শীতের সকালটা! 
                          হ্যা যাব আমরা, অবশ্যই যাব।
 কোনো এক শীতের কুয়াশা ঘেরা সকালটায় একে অপরের          হাতে হাত ধরে,
       সেই সকালটাকে ভালবেসে পূর্ণতা এনে দিব 
        যাতে তার অপেক্ষার প্রহর গুনা স্বার্থক হয়। 
        কোনো একদিন তোমাকে নীল শাড়ি পড়িয়ে 
              এই পুরো শহরটা ঘুরিয়ে দেখাব, 
      সেই দিন এই শহরটার সকল যান্ত্রিকতা থেমে যাবে 
সেইদিন শহরটা কোলাহলের ভীড়ে ভালবাসতে শিখে যাবে।     পৃথিবীতে যত অসম্পূর্ণ হাহাকার মাখানো সম্পর্কগুলো        আছে, 
 আমাদের সম্পর্কটা যেন তাদের পূর্ণতা দিতে উদ্দীপ্ত করে        তুলে। 
       যত ইবাদত, যতো ভালবাসা আছে দুজজনের 
         একে অপরের সাথে এক হয়ে করতে পারি 
                           সেই কামনাই করি। 

              তোমার অপূর্ণতা, তোমার চোখে পানি এনে 
                   আমি কখনো সুখে থাকতে পারব না 
        যদি কখনো কাদঁতে মনে চাই, নীরবে কেঁদো না, 
 আমার বুকে মাথা রেখে কেঁদে নিও যতো অভিমানই করো।       

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আপনার ব্যক্তিগত জীবন অনলাইনে বেচা-কেনা হচ্ছে

Dear GEN-Z

QuotaReformProtest