LoveLost !!!
শুরুটা হয় পাগলামো দিয়ে। তখন সবকিছুতেই যেন অদ্ভুত এক ভাল লাগা কাজ করে। প্রতিদিনের জন্য যেন একটা রুটিন তৈরি হয়ে যায়। ব্যক্তিত্বের বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে এর থেকে বড় পাগলামো বুঝি আর কিছু হতে পারে না! আর তারপর? তারপর তা কিছুদিন ভালোভাবেই চলে, মনে হতে থাকে হাজার জীবন পাড়ি দিয়ে ফেলা যাবে এই আবদ্ধতায়,যাক না দিনগুলো পাগলামোয়! কী আছে জীবনে পাশে থাকার মানুষটি ছাড়া!
তারপর! তারপর একদিন আসে সেই সময়টা যেই সময়টার জন্য কেউই প্রস্তুত থাকে না, যা নিয়ে দুজনের কারো সিলেবাসেই কোনো চ্যাপ্টার ছিল না। হঠাৎ করে যেন চারপাশটা ভ্রমে ভরে যায়। ছেড়ে যাওয়ার মাঝেই যেন সবথেকে বড় ম্যাচুউরিটি কাজ করে তখন। আর তারা তো ম্যাচিউরড হওয়ার জন্য জড়িয়েছিল এই শিকলে। তখন যেন সস্তা সিগারেটের পেছনে ফুঁ দিতে দিতে জীবনকে গালি দেওয়ার মাঝেও অদ্ভুত এক ম্যাচুউরিটি কাজ করে! আর অপরদিকে আরেকজন সারারাত কেঁদে বালিশ ভিজালেও দিনে শখ করে কারো জন্য আর কাজল দেয় না কারণ কাজল তো তার এখন চিরস্থায়ী অলংকার 🙂
আহা অদ্ভুত এক ম্যাচুউরিটি!!!👏
সম্পর্ক! সম্পর্ক!! সম্পর্ক!!! আসলেই কী সম্পর্ক তাকে বুঝাই?!
আমি বেলা শেষে সম্পর্কের হ্যাপি এ্যান্ডিংটা শুধুমাত্র তিথিডোর কিংবা কলকাতার সেই লেখকদের বইয়েই খুঁজে পাই বাস্তবতায় না। পার্কে কিংবা ট্রেনের সিটে যখন পাশাপাশি বসা বৃদ্ধ দম্পতিকে দেখতে পাই আড়চোখে গভীরভাবে তাদের বুঝার চেষ্টা করি! মাঝে মাঝে মনে চায় ধুম করে বলে বসি " আঙ্কেল-আন্টি আপনাদের যদি অটোবায়োগ্রাফি লিখতে বলি সেখানে তৃতীয় কেউ থাকবে কী? থাকলেও ভূমিকাটা ঠিক কতোটা স্বার্থকতার সাথে সততা নিয়ে ঠাঁই দিবেন উপন্যাসটায়?! " নাহ সেই প্রশ্ন আর করা হয় না। হয়তো কখনো করেও বসতে পারি 😐
ছেড়ে আসা মানে ম্যাচুউরিটি কিনা জানি না তবে এক বিশৃঙ্খল আত্মোপলব্ধি ঠিকই!
আমি সদ্য সম্পর্ক শেষ হওয়া মেয়েটার ফেলে দেওয়া কাঁচের চুরিতেও প্রেম খুঁজে বেড়ায় আমি সদ্য ব্রেকআপ হওয়া ছেলেটার ফেলে দেওয়া পোড়া
সিগারেটটাইও ম্যাচুউরিটি খুঁজে বেড়ায়!!!
কিন্তু দিনশেষে মনে হয়, সবকিছুই আপেক্ষিক😑 ভাঙ্গচুর কিছু হৃদয়ের !
মন্তব্যসমূহ